PC Header Top Ads

Type Here to Get Search Results !

Display Responsive Ads

মৃত্তিকা দূষণ কীভাবে রোধ করা যায়?

 মৃত্তিকা দূষণ কীভাবে রোধ করা যায়? 

মৃত্তিকা দূষণ কীভাবে রোধ করা যায়?


(​ক) সংগ্ৰহস্থান নির্মানঃ

বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আবর্জনা সংগ্ৰহ করে কোন দূরবর্তী স্থানে প্রত্যাখান করা একটি ব্যয়বহুল , সময় সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য ব্যাপার । নির্দিষ্ট অঞ্চল অন্তর সংগ্ৰহস্থান তৈরি করে সেখানে আবজনাগুলিকে পিষ্ট করে কোন দূরবতী জায়গায় নিরপেক্ষ করলে ব্যয় ,সময় ও পরিশ্রমের লাঘব ঘটেবে । 


​(খ) বিভিন্ন গর্ত ও নিম্নভূমির ভর্তিঃ

বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগৃহীত আবর্জনা গুলিকে পিষ্ট করে যেখানে যেখানে বড় গর্ত, নিম্নভূমি আছে সেখানে ভর্তি করতে হবে এবং তার উপর মাটি চাপা দিতে হবে ।

​এর ফলে মৃত্তিকা দূষণ হবে না । কঠিন পদার্থ ফেলার জন্য আলাদা জিয়গার ও প্রয়োজন হবে না ।


​(গ ) ভষ্মীভূত করাঃ

আবর্জনাগুলিকে সংগ্ৰহ করে ভষ্মীভূত করলে তার বিষক্রিয়া অনেকটা নষ্ট হয় ।

​উৎপাদিত ছাই-এর অপসারণের জন্য কম জায়গার প্রয়োজন হয় । এর ফলে আবর্জনা থেকে শক্তি উৎপাদন ও সম্ভব যা বিভিন্ন শিল্পের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে । কিন্তু এতে বায়ুদূষণের সৃষ্টির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় এবং ভস্মীভূত আবর্জনার ছাই-এর পরিমাণ খুব কম না হত্তয়ায় (মূল আবর্জনা প্রায় ৬০ শতংশ ) সেগুলি গাড়ি করে দূরবতীস্থানে নিক্ষেপ করার খরচ ও খুব কম হয়না ।


​(ঘ) পুনরচক্রীভবনঃ

কাগজ, কাডবোড , কাঁচ ও বিভিন্ন ধাতব দ্রব্যকে সহজেই আবার ব্যবহার করে তার মূল পদার্থ উৎপাদন করা যায় । এগুলি রিসাইক্লিং প্ল্যান্টে করা হয় । কিন্তু এতে অর্থনৈতিক দিক থেকে বিভিন্ন ধাতুর পুনরচক্রীভবন লাভজনক হলে ও কাঁচ ও কাগজের ক্ষেএে খুব একটা লাভজনক হয় না । কাগজ জাতীয় পদার্থ প্রকৃতির মধ্যে সহজেই বিঘটিত হয় বলে এর পুনরচক্রীভবন না ঘটালেও কাঁচ ও প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থের পুনরচক্রীভবন ঘটানো অবশ্যই জরুরী ।


​(ঙ) স্যানিটারী ল্যাট্রিনের নির্মানঃ

ভারতবর্ষের এখনও বিভিন্ন স্থানে খোলা জায়গায় মলত্যাগের অভ্যাসের ফলে মৃত্তিকা সহজে দূষিত হয় । এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় খাটা পায়খানা ব্যবহারের প্রচলন আছে যেখানে থেকে বিভিন্ন জীবাণু ও পরজীবীরা সহজেই মৃত্তিকা দূষণ ঘটায় । ভারতের জনসাধারণকে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে এবং স্যানিটারী ল্যাট্রিনের নির্মাণের উপর জোর দিতে হবে। 


(চ) জৈব বিঘটনে সক্ষম পদার্থের ব্যবহার বৃদ্ধিঃ 

​মৃত্তিকা দূষনের ৯০ শতাংশ দ্রব্য হল কঠিন বজ্যপদার্থ । এদের মধ্যে অনেকগুলিই প্রকৃতিতে সহজে বিঘটিত হয়না বলে মৃত্তিকায় এদের সঞ্চয়ের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে । গৃহস্থালীর বিভিন্ন কাজে জৈব বিঘটনে সক্ষম পদার্থগুলির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া ও বর্তমানে যে কীটনাশক রাসায়নিক দ্রব্যগুলি ব্যবহার হয় সেগুলি প্রকৃতিতে অনেকদিন অবিঘটিত অবস্থায় ক্রিয়াশীল থাকে। এই দীর্ঘমেয়াদী কীটনাশকের পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদী ও খুব সহজে জৈব বিঘটনে সক্ষম কীটনাশকের আবিষ্কার ও ব্যবহার প্রতি জোর দিতে হয়।


​এতে কীটনাশক দূষণ থেকে মৃতিকাকে রক্ষা করা যাবে ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Section